হাগু করছিলাম কমোডে বসেহঠাৎদরওয়াজা খুলে যায় সটানক্রিস্টিন আই ওয়ালিক (এক অর্থে আমার পায়খানার মালিক)গটগটিয়ে ঢুকে পড়েন আমার অপ্রশস্ত টয়লেটেবলেন, হচ্ছে না মুখু, ওভাবে নয়তোলো তোমার বাম পা-খানা ঘাড়ের ওপরডান হাতে বাম কান চেপে ধরো, আর বাম হাতে ডান হাঁটুতারপর করো,তবে হুঁশিয়ার,একবারেই সব করে ফেলো নামাসছয়েক এভাবে হাগোতারপর আবার বাৎলে দোবো আধুনিক হাগনপদ্ধতি।ভয়ে ভয়ে তা-ই করিশুধাতে যাবো পরিষ্কৃত হবার মারফতি ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Thursday, August 31, 2006
ডোডোপুরাণ
দেশী রাজনীতিতে নবডারউইনীয় বিবর্তন লইয়া একটি গুরুগম্ভীর পোস্ট ঝাড়িবার অভিপ্রায় পুষিতেছিলাম কয়েকদিন যাবৎ। নানা ব্যস্ততায় লিখিয়া উঠিতে পারি নাই। তবে ব্যস্ততা কাটিবার পর গুরুগম্ভীর ভাবখানিও মন হইতে বিলুপ্ত হইলো, একেবারে সেই ডোডো পক্ষীর ন্যায়। তাই ভাবিলাম, ডোডোদিগের গল্পই লিখি।ডোডো পক্ষী বড় সুবোধ ও সুশীল ছিলো। জীববিজ্ঞানের শ্রেণীবিভাগের জনক Linneaus তাহার নাম হেলাভরে রাখিয়াছিলেন Didus Ineptus, ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
অ্যাবসার্ড কবিতা ০১
কবিতার সাথে পার্থক্য করার জন্য আমি এ ধরনের কবিতার নাম দিলাম ক্কবি্বত্তাহ! আমার বন্ধু ও জানি দোস্ত বিব্রত রাসপুটিন লোপেজ আমার এই গোছের কবিতাগুলিকে অনেক বাহবা দিছেন। পাশাপাশি উনি আমারে কইছেন, মুখু, কাজকাম না থাকলে আয়া পড়, এক লগে বাসন ধুই। আমি কইছি না দাদা, আম্রিকা আমার ভাল্লাগে না। আমি দ্যাশে থাকি। তো যাই হোক, ঐ গল্প আরেকদিন কমু আনে। এখন ক্কবি্বত্তাহ শোনাই।---------------------------------ইতিহাসের ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
মোহনদাসের দুঃখ
মোহনদাস ভাঙা গলায় বলেন, "জবারলাল!"জবারলাল মৃদু গলায় বলেন, "বাপু!"মোহনদাস শুধান, "কোন খোঁজ পেলে?"জবারলাল বলেন, "না বাপুজী।"মোহনদাস সহিংস ভঙ্গিতে দাঁত কিড়মিড় করেন, "তবে কি এই নোয়াখাইল্যারাই ওকে নিয়ে কেটে কাচ্চি বিরিয়ানি খেয়েছে?"জবারলাল শ্রাগ করেন ফরাসী কেতায়। "জানি না বাপুজী। এদের অনেক বদনাম আছে। কোন কাজই অসম্ভব নয়। তাছাড়া এই এলাকায় ফজলু বাবুর্চির কাচ্চি বিরিয়ানি ভূবনবিখ্যাত। কাজেই আপনি যা আশঙ্কা ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Tuesday, August 29, 2006
মিশন ইম্পসিবল থ্রি
মারভেজ পুশাররফ মোচে তা দিয়ে হাসলেন। "দানেল সাহাব, ক্যায়সা লাগতা হায় হামারা পিলান?" দানেল তার শীর্ণ আঙুলে দাড়ি বিন্যস্ত করেন। তারপর খসখসে গলায় ভাঙা ভাঙা উদর্ুতে বলেন, "ফির সে সমঝাইয়ে বুশাররফ সাহাব!" দানেল জাতিতে আরব, প বলতে পারেন না, ব বলে ফেলেন। পুশাররফকে বলেন বুশাররফ, প্যান্টিহোসকে বলে বান্তিহুস। সমস্যা হয় অনেকের। প্রথম প্রথম পুশাররফেরও হতো, এখন অনেকটা কেটে গেছে। অভ্যাসে কী না হয়। পুশাররফ আবার ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
স্মৃতি তুমি বেদনা
খালি বিন ওয়ালি ব্যথাতুর চোখে তাকান দেয়ালের ছবিটার দিকে। আব্বাজানের ছবি। যুবা বয়সে তোলা। মাথায় দাগী টুপি, গায়ে ডোরা পিরান। আব্বাজান নাকি জোয়ান বয়সে প্যান্ট পরতে চাইতেন না, লুঙ্গি পরতেন সবসময়, বলতেন প্যান্ট নাসারাদের পোশাক, আমি ওটা পরতে পারি না। আম্মাজানই পীড়াপীড়ি করে ছবি তোলানোর জন্য দর্জি ডাকিয়ে একটা শাদা প্যান্ট বানিয়ে দিয়েছিলেন আব্বাজানের জন্যে। তারপর আবার কী কান্ড, ক্যামেরাইনসান ছবি তুলতে এসে ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Sunday, August 27, 2006
আদমচরিত ০০৭
স্বর্গে মহা ক্যাচাল লাগিয়া গিয়াছে।পালের গোদা স্বর্গদূতগণের মধ্যে কাজকর্মে ফাঁকি দিয়া দুই নম্বরি কাজে মন দেয়ার কারণে স্বর্গের বড়বড় কাজ সব ভজঘট লাগিবার যোগাড়।গুজরিলের দায়িত্ব ছিলো প্রাণসংহারের। সে বড়সড় একখানি রশ্মিনির্মিত দাও লইয়া ঘুরিয়া বেড়ায়, কারো আয়ু ফুরাইলে সে গিয়া দাও দিয়া কোপাইয়া সংশ্লিষ্ট হতভাগ্যের জান কাটিয়া লইয়া আসে। সম্প্রতি তাহার কী জানি হইয়াছে, সে আনমনা হইয়া থাকে, মাঝে মাঝে বিনা কারণেই ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
আদমচরিত ০০৬
আদম হরকরা স্বর্গদূত গিবরিলকে ভাড়া করিয়াছে কিছু ফলমূলের বিনিময়ে। গিবরিল বর্তমানে বেকার, ভবিষ্যতে নাকি ঈশ্বর তাহাকে ঘনঘন পৃথিবীতে পাঠাইবেন বলিয়া আশ্বাস দিয়াছেন। তাই সে চৌপর আড্ডা ভাঁজে, স্বর্গ অপ্সরাদের পিছে লাইন ঠোকে। আদম এমনই এক আড্ডা হইতে তাহাকে গেরেফতার করিয়াছে। গিবরিল অবশ্য জ্ঞানবৃক্ষের ফলের জন্য লালায়িত নহে, একটি মর্তমান কদলী পাইয়াই সে ভজিয়া গেলো।আদম তাহার হস্তে ভূর্জপত্রের পুঁথি গুঁজিয়া ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
আদমচরিত ০০৫
আদম নিজের ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে গলা খাঁকরায়।"ভাইসব!" শুরু করে সে। "আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, ঘরে এখন জ্বালানি কাঠ পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ আছে। জ্বালানি কাঠের কোন সঙ্কট ঘরে নাই। আরো দুই পূর্ণিমা পার করা যাবে এই মজুদ করা কাঠ দিয়ে। কিন্তু, একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করে এই কাঠের কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করতে চাইছে! কাঠ নাই কাঠ নাই বলে তারা ঘরে অশান্তি সৃষ্টি করছে! কিন্তু এদের কথায় আপনারা কান দিবেন ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Saturday, August 26, 2006
ইন্দুর দমন কমিশন
(এই গল্পটি প্রাচীন বাংলার পটভূমিতে। অধূনা বাংলার কোন কিছুর সাথে মিল খুঁজে পেলে সেটা আপনার কল্পনাপ্রবণ মনের সমস্যা।)আলিশান সদাগরী জাহাজ "নোয়ার দোয়া"। চাটগাঁও বন্দরের গর্ব। সদাগর জনগণ শেঠের জাহাজ। কী না যায় ওতে! চাল, ডাল, পানসুপারি, কাপড়, তেল, গ্যাস, জনশক্তি ... কতকিছু! পণ্যের পসরা সাজিয়ে চাটগাঁও থেকে এ জাহাজ নিয়মিত যায় সিংহলের বন্দর ঘুরে সুদূর গুজরাটের শূপর্ারক বন্দরে। সেখানে মাল বেচে ফিরতি ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
দারুবীণের আবর্তনতত্ত্ব
দারুবীণ বড় দুষ্টু ছেলে। ওর বাপটা ছিলো মদখোর। গলা পর্যন্ত মদ খেয়ে এসে সাপুড়েদের বীণ বাজাতে বাজাতে একদিন ঘরে ঢুকে শুনলো, পুত্র সন্তান হয়েছে। বীণটা মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে ছেলেকে কোলে তুলে নিয়ে সে বললো, "য়্যাঁ? জমজ নাকি?" নেশার ঘোরে সে প্রায়ই একটা জিনিসকে দুটা দেখতো। যাই হোক, যারা মানিকের "জননী" পড়েন নাই তারা হেসে নেন একটু, মুখফোড়ের মান রাখেন এট্টু। দারুবীণ, এটাই ছেলের নাম রাখলো মাতালটা। যেমন বাপ, ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Subscribe to:
Posts (Atom)