(আদমচরিত শব্দটির ওপর আমি পোস্টের শিরোনাম হিসেবে মৌরসী পাট্টা নিলাম। এখন থেকে আদম ব্যাটার কান্ড কারখানা ধারাবাহিকভাবে ফাঁস করা হবে।) আদম একটু দুষ্টু, নিয়মকানুন মানতে চায় না। কিন্তু স্বর্গের নন্দনকাননের কানুন বড় কঠিন, পান থেকে চুন খসলে স্বর্গ থেকে খেদিয়ে দেয়া হয়। আদম সেটা জানে, কিন্তু পরোয়া করে না। বড় ব্যাদড়া।ঈভ আগের রাতে কচুসেদ্ধ আর ভাত রান্না করেছিলো। পেটপুরে খেয়েছিলো আদম। ঈভ মাগী তরকারিতে সবসময়...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Thursday, February 23, 2006
Wednesday, February 22, 2006
ঠুলি আবিষ্কার
হবুচন্দ্র রাজা আর গবুচন্দ্র মন্ত্রী, দু'জনে মিলে (?!) জুতা আবিষ্কার করেছিলেন। শিক্ষিত জনগণ অফ যান, কারণ এখন আমি ইতিহাস আবিষ্কার করছি। কলম এখন আমার কব্জায়।তো, জুতা আবিষ্কার করেই তাঁরা ক্ষান্ত হন নাই। দুইদিন বাদেই হবুচন্দ্র রাজা প্রাতঃভ্রমণের সময় রাজদীঘিতে স্নানরতা কামিনীদের দেখে প্রবলভাবে তাড়িত হলেন। কোনমতে উত্থান সামলে তিনি গবুচন্দ্রকে বললেন, "মন্ত্রী গবু, ক্যামন যেন লাগে, কী করা যায়?"গবুচন্দ্র ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Wednesday, February 15, 2006
ছুঁচোকাহিনী
বন্ধুরা, আজ আমি তোমাদের একটা গল্প শোনাতে চাই৷আমার ছোট্ট ভাগ্নি খুবই আহ্লাদি, কিন্তু উটের মতো গোঁয়ার৷ কোনকিছু পছন্দ না হলে সে উটের মতোই ঘাড়ত্যাড়ামি করে৷ তাকে নিয়ে বড় সমস্যা৷আজকে আমি উদাস মনে বসে আছি বারান্দায়, সামনের বাড়ির ছাদে চরে বেড়াচ্ছে রূপসী উদ্ভিন্নযৌবনা হরিণীনয়নাতরুণীরা, যদিও অ্যাতো দূর থেকে নয়নফয়ন কিছু দ্যাখার জো নেই, মনে মনে ভাবছি এইবার একখান বাইনোকুলার কিনতেই হবে৷ এক বন্ধু পাখিদেখা ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Tuesday, February 14, 2006
সব ব্যাটা পদ্য লেখে, মুখফোড় ব্যাটা মুড়ি খায়
আর নয় পদ্যবিমুখতা! মুখফোড়ের প্রেমিক হৃদয়ে লেগেছে ফাল্গুনের ফুঁ!চলুক প্রেম, চলুক কাম, ভালোবাসা ধামাধাম!পদ্য লম্বর ০১!এই শহরের গুমোট বাতাসেপ্রেমের জীবাণু ঘুড়ি হয়ে ভাসেউড়ো চিঠি, ফোনে মুঠি ভরে আসে৷তবু একা একা লাগেপ্রে মের জীবাণু ছোঁয় না আমাকেবিলোল বাতাস দূরে সরে থাকেএসএমএস ঝুড়ি খালি পড়ে থাকেশঙ্কিত বৈরাগে৷পদ্য লম্বর ০২!ভালোবাসা কোন সাহসী শামুকনয়, তাই ব্যাটা এবারে থামুকতুমি জানো আমি সরল কামুকশরীর-শেরপা...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Monday, February 13, 2006
জুতা নিরপেক্ষতা
অফিসে জুতা নিয়ে গন্ডগোল শুরু করেছেন ওহাব সাহেব।অনেকে বলে গন্ডগোলটা শুরু করেছেন হানিফ সাহেব। কে গন্ডগোল শুরু করেছেন এ নিয়েও একটা গন্ডগোল হয় মাঝে মাঝে।ওহাব সাহেব ফাটা কোম্পানীর কালো চামড়ার আট নাম্বার জুতা পরেন। জুতায় ফিতার জন্য দশটা ফুটা আছে। এ নিয়ে তাঁর গর্বের অন্ত নাই। খেতে বসে তিনি স্ত্রীকে মাঝে মাঝে বলেন, "বুঝলা গুলজারের মা, ফাটা কোম্পানীর ৮ নাম্বার কালা জুতা হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জুতা। এতে কোন...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Friday, February 10, 2006
আমাদের পাড়ায় ফুটবলের ভবিষ্যৎ
মফস্বলের পোলাপান আমরা৷ কম্পিউটার নাই ফুটবল খেলি সত্যিকার মাঠে৷ ইন্টারনেট নাই, ব্লগ লিখতে পারি না৷কিন্তু যার মাঠে ফুটবল খেলি, সেই রহমান চাচা বড় চামার৷ বিনা কারণে দোতলার বারান্দায় এসে খ্যাচখ্যাচ করে৷ "ঐ পোলাপান, ল্যাখাপড়া নাই তোমাগো? দিনরাত খালি বল পিটাও? বাপমায় জানে যে ল্যাখাপড়া ফালায়া বল পিটাও? খাড়াও, দিতাছি বিচার!"এইসব খ্যাচখ্যাচ আমরা আমল দেই না, কিন্তু মাঝে মাঝেই আমাদের বল বাজেয়াপ্ত করে রাখে ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Tuesday, February 07, 2006
মঈননগর আবাসিক প্রকল্প
প্রেস কনফারেন্স চলছে৷ বাঘা বাঘা সাংবাদিকদের সামনে হাসিমুখে বসে আছেন মঈন, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী৷ এককালে কোথায় যেন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি করতেন, সম্প্রতি নাসার কিছু প্রজেক্ট লটারিতে জিতে চাঁদে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা শুরু করেছেন৷"জনাব মঈন," দৈনিক ঠুকে মারি পত্রিকার সাংবাদিক ফুয়াদ মহাজন উঠে দাঁড়িয়ে মাইক হাতে নিয়ে গর্জে ওঠেন, "আমরা সবাই জানি এইসব চাঁদে হাউজিং ব্যবসা সম্ভব নয়! কিন্তু আপনি বাংলা ব্লগের ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Monday, February 06, 2006
বাসর রাতে বেড়াল নিধনের ইতিবৃত্ত
বাসর রাতে বেড়াল মারার ইতিহাস নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে৷ বিশেষজ্ঞদের কাজেই হচ্ছে অন্যদের সাথে ফারাক রেখে একটা মত পোষা, কিন্তু অ্যাতো কাঠখড় পুড়িয়ে তাঁরা বিশেষজ্ঞ হয়েছেন, কার মত ফেলে দিয়ে কারটা গ্রহণ করবো তা নিয়ে ঝামেলা লেগে যেতে পারে৷একটি প্রচলিত মত, যেটি কাৎসেনশ্লেগার তত্ত্ব বলে পরিচিত, আমাদের টেনে নিয়ে যায় খ্রিষ্টের জন্মেরও বহু আগে, প্রাচীন মিশরে৷ বহু ফারাও ওফারাওপত্নীদের পিরামিডে ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Thursday, February 02, 2006
সায়েন্স ফিকশন লিখলাম একটা
মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের অধিনায়ক তাঁর তিনটি চোখ লাল করে তাকালেন প্রকল্প পরিচালকের দিকে। "আপনি কি মশকরা করছেন আমার সাথে? বাসযোগ্য গ্রহ পাওয়া গেছে, বললেই হলো?"প্রকল্প পরিচালক স্পষ্টতই অপমানিত বোধ করেন, তাঁর শুঁড়ের ডগা সবুজ হয়ে ওঠে। তিনি গম্ভীর স্বরে বলেন, "মশকরা? মাননীয় অধিনায়ক, এত ডজন ডজন মুদ্রা ব্যয় করা হয়েছে এই ইন্টারফেয়ারোমেট্রি প্রযুক্তির পেছনে, বাসযোগ্য গ্রহ খুঁজে বার করার জন্যে, আর আপনি বলছেন...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Subscribe to:
Posts (Atom)