আচ্ছাদিতনগর রাজ্যের রাজা জনগণ মাণিক্য প্রবল যাতনায় ভুগছেন৷ পেটে ব্যথা৷ কিন্তু রাজবৈদ্য ব্যথার নিরাময় বা উপশম কিছুই করতে পারছেন না৷ আপাতত পুল্টিশ চলছে৷জনগণ মাণিক্য এতদিন আস্থা রেখেছিলেন রাজবৈদ্য ইবনে চিচিঙের ওপর৷ বহু দেশে ঘুরেফিরে নানা দেশের চিকিত্সাবিদ্যা অর্জন করে এসেছেন ইবনে চিচিং৷ এর আগে তাঁর পাটমহিষীর যাত্রাপালা দেখার একটা রোগ হয়েছিলো, দিন নাই রাত নাই খালি হিন্দি পালা দেখেন প্রাসাদের ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Friday, September 29, 2006
অরূপের চিত্রকর্ম নিয়ে গল্প
শিল্পী আলহাজ সালভাদর ঢালি মুগ্ধ বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকেন ছালতামিরা গুহার দেয়ালের দিকে। কী অপূর্ব সব ছবি! গুহার ভেতরে সূর্যের আলোর কড়া পরশ সেসব ছবির জেল্লা নষ্ট করতে পারেনি। শিল্পী ঢালি বিড়বিড় করে সৃষ্টিকর্তার প্রশংসা করেন। আহা, চিত্রকর্ম কতো যুগ ধরে মানুষের মনে বসত করে আসছে।শিল্পী ঢালি হাঁটতে হাঁটতে গুহার আরো গভীরে এগিয়ে যান। এক জায়গায় আঁকা এক বিশাল বাইসনের ছবি, চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে তার দিকে বল্লম ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Monday, September 25, 2006
কলি ও কলা
... ...আমি কিছু কহিলাম না, নিরুত্তর চাহিয়া রহিলাম তাহার অনিন্দ্যসুন্দর বদনের পানে৷আমার মাশুকা৷ প্রকৃত নাম বলিয়া দিয়া তাহার অপমান করিব না৷ ধরিয়া নিন, তাহার নাম, নূরজেহান৷নূরজেহান আবারও আমার দিকে চাহিয়া ব্যাকূল কন্ঠে কহিলো, "ওগো, তুমি ভাবিয়া দেখো, আব্বাহুজুরের প্রস্তাবটি এমন খারাপ কিছু নহে৷"আমি মৃদু কন্ঠে কহিলাম, "না বেবি, তাহা হয় না৷"আদর করিয়া আমি তাহাকে বেবি বলিতাম৷নূরজেহান আমার দস্ত তাহার ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Friday, September 22, 2006
কাবিলের কান্ড
হাবিল আর কাবিল দুই ভাই। হাবিল ভেড়া চরায়, কাবিল চাষবাস করে। ফসল উঠলে কাবিলের বউ পায়েস রাঁধে, পোলাও করে, আর হাবিলের বউ ভেড়ার মাংস কাঠিতে গেঁথে পোড়ায়। তারপর দুই ভাই বউপোলাপান নিয়ে বসে খায় গপাগপ।এভাবেই চলছিলো দিন, হঠাৎ একদিন এক স্বর্গদূত এসে হাজির। হাবিল কাবিল স্বর্গদূতদের খুব একটা পছন্দ করে না, ঈশ্বরের বার্তা নিয়ে আসে এরা, সে-ই ঈশ্বর যে তাদের বাবাকে পাছায় লাথি মেরে নন্দন কানন থেকে বার করে দিয়েছিলো, ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Thursday, September 21, 2006
ছাগুরামকাব্য ০৬: বিদ্যা তাহার বাইয়া পড়ে
হাঁ!বিদ্যা তাহার বাইয়া পড়েবড়ির সাথে সাথেহাঁ ভাই, বড়ির সাথে সাথেবাইয়া পড়ে চুঁইয়া পড়েজ্ঞানের ভারে নুইয়া পড়েছাগুরামের বিদ্যা যোগান দেয় যে কাঁঠাল পাতে ...মস্ত বিদ্যা ভয়ঙ্করীহাঁটার তালে দুলতে থাকে দুলতে থাকেঝুলতে থাকেজ্ঞানের ভারে, ভীষণ ভারে ঝুলতে থাকেহাঁ ভাই ঝুলতে থাকেভারতপ্রেমী রামছাগুরাম ফুলতে থাকেবিদ্যা খেয়ে ফুলতে থাকেআইআরসিতে গেট্টুগেদারদাওয়াত সেথা ফরজ যে তারশালকাঁঠালের পাতায় মাখা বিরিয়ানির ডালডা ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Wednesday, September 20, 2006
জীবনানন্দের মরণরহস্য
জীবনানন্দ ট্রাম লাইন ধরে হাঁটছেন, হাজার বছর ধরে না হলেও কয়েক মিনিট ধরে। গম্ভীর, অন্যমনস্ক।মনে মনে ভাবছেন তিনি। কবি মানুষ, ভাবুক কিসিমের লোক, ভাবনায় ডুবে থাকেন।আজ আমি কবি, ভাবেন জীবনানন্দ। সবাই আমাকে চেনে। জানে। আমার কবিতা নিয়ে ছোঁড়ারা লাফায়। কঙ্কালের পাশা খেলা নিয়ে বাজি ধরে তারা। বনলতা সেনের সাথে পত্রমিতালি পাতাতে চায়। সোনালি ডানার চিল নিয়ে কাবাকাবা করে। এ-ই কি আমার কবিজীবনের প্রাপ্তি? কবিগুরুর ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
আমি জনগণ বলছি ০১
আমার নাম জনগণ৷কাশ, আমার গুহ্যদ্বার দুইটা থাকতো৷না, মলত্যাগের জন্য নয়৷ ঐ কাজে আমার একটি গুহ্যদ্্বারই বরং অতিরিক্ত মনে হয়৷ পেটে ভাত নাই, হাগনবিলাস কি পোষায় আমার৷ ক্কচিত্ ক্কচিত্ চকিত তড়িত্ গতিতে ঐ কাজ সেরে ফেলি৷একটা অতিরিক্ত গুহ্যদ্বারের জন্য আমার হাহাকার বহুদিনের৷ আপনারা তো আবার অতীত ভুলে ভবিষ্যতের দিকে তাকায় থাকেন, নাহলে আমার কষ্ট বুঝতেন৷ একেবারে সেন যুগ থেকে হোগামারার উপরে আছি ভাই৷ এই যাহ, ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Friday, September 08, 2006
হেবো ছাগাজন
অভিদেষ্টা কোম্পানির নাটের গুরু পর্বত্ মওলার কাছে ছাগাজন চাকরি করেছিলো কয়েক বছর৷ পর্বত্ মওলা বদমেজাজি লোক, জুতা পালিশ করে না রাখলে সে বুট পরে লাথি মারতো৷ কয়েকবার লাথি খেয়েই হেবো সাবধান হয়ে গিয়েছিলো৷ আক্কলমন্দের জন্য ইশারাই কাফি৷তো, পর্বত্ মওলা একদিন এক আজব তেলেসমাতি শুরু করলো৷ ইন্টারনেট৷ কম্পিউটারে বসেই দুনিয়ার খবরাখবর পাওয়া যায়৷ শুধু মাউজ নামের ঐ বস্তুটা দিয়ে নাড়াচাড়া করতে হয়, আর কীবোর্ডে কিছু...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
বাজে গল্প
আইজুদ্দিন সাহেবের কী দুর্মতি হয়েছিলো, বেশ কয়েক বছর বিপত্নীক জীবন কাটিয়ে শেষে প্রৌঢ়ত্বের ধূসর এলাকা টপকে গিয়ে বিয়ে করলেন বেশ রগরগে এক তরুণীকে। রগরগে বিশেষণটি গল্পকাহিনীর আগে বসালে শুনতে ভালো লাগে (বিশেষণ আর কাহিনী দুটিই), কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে কিশোরী-তরুণী-যুবতীরাও রগরগে হয়ে উঠতে পারে বইকি। যারা আবারও জিজ্ঞেস করবেন, কিভাবে পারে, তাঁদের বলি, শিরোনাম দেখুন।আইজুদ্দিন প্রথম স্ত্রীর ইন্তেকালের ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
শেরশাদ আর আলেকজান্ডার
শেরশাদ বললেন, "সালামালাইকুম। আপনি কোন আলেকজান্ডার?"আলেকজান্ডার ক্ষেপে গেলেন। মাকেদোনিয়ার লোকজন এমনিতেই বদমেজাজি, তার ওপর বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডারকে না চেনা! তিনি তরবারি উঁচিয়ে বললেন, "হাল্লা পেঙ্কির পো আলেকজান্ডার কি একটার বেশি দুইটা হয় নিকি? এক্কেরে জানে মাইরা ফালামু কোয়া দিলাম!"শেরশাদ হাসলেন। বললেন, "খোঁজখবর তো রাখেন না দুনিয়ার। কতো আলেক-বালেক-খালেকজান্ডার দিয়ে রাস্তাঘাট ছয়লাপ এখন! ঐ দ্যাখেন ঐ ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Monday, September 04, 2006
রহস্যগল্প ০০২
রহস্যভেদী গাব্রিয়েল মগাদিশু চৌরাসিয়া গম্ভীর নিশ্চুপ মুখে বারান্দায় বসে। তাঁর পরনে একটি লাল রঙের গ্যাবার্ডিনের হাফপ্যান্ট, ফুটপাথের হকারের কাছ থেকে ষাট টাকা দামে কেনা, দামী ডিটারজেন্টে ধোয়া এবং ইস্ত্রি করা। লাল রংটা একটু যেন বিষণ্ন হয়ে পড়েছে আবহাওয়ার পরিবর্তনে। চৌরাসিয়া গম্ভীর হয়ে আছেন অন্য কারণে। তাঁর নতুন কেনা হলুদ লুঙ্গিটা চুরি গিয়েছে। বারান্দায় শুকানোর জন্য সেটাকে টাঙ্গাইল করা হয়েছিলো, কে ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
রহস্যগল্প ০০৩
গাব্রিয়েল মগাদিশু চৌরাসিয়া ধড়ফড় করে উঠে বসেন বিছানায়। তারপর তাকান ঘরোয়া ঘড়ির রেডিয়ামচর্চিত কাঁটার দিকে। রাত দেড়টা। দুঃস্বপ্ন দেখে যে তাঁর ঘুম ভাঙে না, এমন নয়। মাঝে মাঝেই স্বপ্নে দেখেন বউটা বাপের বাড়ি থেকে গাঁটরি বোঁচকা সহ ফেরত এসেছে, এসেই শাড়ি গাছকোমর করে পেঁচিয়ে তাঁকে কান পাকড়ে ধমকাচ্ছে, "বাসাবাড়ির এই হাল? য়্যাঁ?"তবে আজ দুঃস্বপ্ন নয়। ঘুম ভেঙেছে দরজায় করাঘাতের শব্দে। না, তাঁর দুঃস্বপ্ন সত্যি হয়ে...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Sunday, September 03, 2006
রহস্যগল্প ০০৪
গাব্রিয়েল মগাদিশু চৌরাসিয়া মহাবিরক্ত। এ পাড়ায় রহস্যভেদী পরিচয় দেয়াটাই বোকামি হয়েছে তার। বাঙালি জাতিটা বড় পাজি, যত্তোসব খুচরা সমস্যায় ভরা তাদের জীবন, আর খালি মাগনা কাজ উদ্ধারের ফন্দি! পয়সা দেয় না শালারা।তিনি গম্ভীর মুখে বললেন, "দেখুন, ছিনতাই ঠিক আমার বিষয় নয় ... নট মাই কাপ অফ টী। ছিনতাই একটা বিচ্ছিরি বাজে বর্বর ঘটনা, ওতে কোন রহস্যের ছোঁয়াচ নেই। আপনি পুলিশ, র্যাব, সাংবাদিক, মিউনিসিপ্যালিটি, ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
রহস্যগল্প ০০৫
গাব্রিয়েল মগাদিশু চৌরাসিয়া একটা সাদাকালো হাফপ্যান্ট পরে নিজের বৈঠকখানায় পায়চারি করছেন। সাদাকালো হাফপ্যান্ট মানে এই নয়, এর একটা পায়া সাদা, অন্যটা কালো। সাদাকালো প্যান্ট মানে এ-ও নয় যে প্যান্টটা জেব্রার মতো ডোরা বা পোলকা ফুটকি দিয়ে ছোপানো। প্রকৃতপক্ষে প্যান্টটা সাদাই ছিলো, এখন ময়লা হয়ে কালচে মেরে গেছে। বউ ঝগড়া করে বাপের বাড়ি চলে গেছে, তাই চৌরাসিয়া অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ঘরে ময়লা জামা পরে ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
রহস্যগল্প ০০৬
গাব্রিয়েল মগাদিশু চৌরাসিয়া বললেন, "তাই নাকি?"পমি রহমান চোখ টিপে বলে, "হ্যাঁ!"চৌরাসিয়া বলেন, "আপনার কাছে কোন প্রমাণ আছে?"পমি রহমান একটু চটে যায়। বলে, "সেই ছোটবেলা থেকে সিনেমা খাই, ভাই! ইস্কুল ফেলে সিনেমা দেখেছি, কলেজ ফেলে সিনেমা দেখেছি, ইউনিভার্সিটি ফেলে সিনেমা দেখেছি, কাজ করি সিনে সাংবাদিকের, কতো নায়িকা ঘেঁটে চুল পাকালাম, মানে, আমার নিজের চুল, আর তারপরও প্রমাণ চান?"চৌরাসিয়া বলেন, "লেট মি ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
রহস্যগল্প ০০৭
গাব্রিয়েল মগাদিশু চৌরাসিয়ার দিনকাল খারাপ যাচ্ছে। এরকম রহস্যজর্জরিত একটা পাড়ায় বাস করেও কেস জুটছে না তাঁর হাতে। জুটছে না বললে ভুল হবে, কেস রোজই জোটে এক গাদা, কিন্তু পয়সা দিতে চায় না কেউ।পরামর্শটা দিয়েছে প্রতিবেশী ও পানের সঙ্গী পমি রহমান।"খোকাপুরুষের কাছে যান।" পমি রহমান ভোগান্তি খায় না, তার পছন্দ বিয়ার, তারই বোতলে এক চুমুক দিয়ে বলে সে।"খোকাপুরুষ?" মগাদিশু চৌরাসিয়া একটি ভুরু উত্তোলিত করে তাকান ...
-->>>>অবশিষ্টাংশ পাঠ করুন
Subscribe to:
Posts (Atom)